রবিবার, ০৭ মার্চ ২০২১, ১২:৩৩ অপরাহ্ন

দিহান এর বক্তব্য,সিসি টিভি ফুটেজ,দারোযানের ভাষ্য অনুযায়ী সব বেড়িয়ে আসলো অনুশকা হ;ত্যার সকল র;হস্য

‘আমা’র মে’য়ে খুব শান্ত স্ব’ভাবের। স্কুল এবং বাসা ছাড়া তেমন বের হতো না। সে কারো বাসায় এভাবে চলে যাবে এতোটা সা’হস তার ছিলো না। দিহান আমার মে’য়েকে ট্র্যা’পে ফে’লে জো;র করে বাসায় নিয়েছে।

ঘুমের ও’ষুধ জাতীয় কিছু মিশিয়েছিলো। ওদের (দিহান ও তার বন্ধুদের) অ;ত্যা’চার থেকে বাঁ’চার জন্যই হয়তো সেদিন দুপুরে (১২টা ১৮ মিনিটে) আনুশকা আমাকে কল দিয়েছিলো।

ওইদিনের ফোনটা ধ’রলে হয়তো আমার মে’য়ের এমন প’রিণতি হতো না; এটাই আমার সবচেয়ে বড় ভু’ল।’ আজ দুপুরের নিজ বাসায় কা’ন্নাজ;ড়িত ক’ণ্ঠে কথা গুলো বলছিলেন আনুশকার বাবা আল আমীন আহম্মে’দ।

ঘ’টনার দিনের বর্ণনায় তিনি জানান, হাসপাতালে যাওয়ার পর দিহানের স’ঙ্গে তার তিন বন্ধু সেখানেই ছিলো, তখন তাদের সবাইকে অ’স্থির লাগছিলো।

এর আগে আনুশকার মোবাইল থেকে আমার স্ত্রী’কে ফোন করা হয়। তবে সেটা হা’সপা’তাল থেকে নাকি ওই বাসা থেকে এটা জানি না। হা’সপা’তালে যাওয়ার পর চিকিৎ’সকরা আমাকে বলেন, মা’রা যাওয়ার পর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।

আনুশকার মা শাহানুরী বলেন, ঘ’টনার সময় দিহানসহ চারজন ছিল। ঘট’না শুনে হাসপাতালে যাওয়ার পর দিহানের কাছে জানতে চাইলে সে জানায়, চার বন্ধু তার বাসায় ছিল। দিহানকে আগে থেকে চিনতাম না। ওই দিন ফোন করে সে তার প’রিচয় দিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, বন্ধুদের অ’পরাধ আ’ড়াল করতে একাই দা’য় মাথায় নিয়েছে দিহান। হয়তো ওরা জো’র করেই আমা’র মে’য়ের ও’পর নি*র্যা;তন চা’লায়। কিছু খাইয়ে ওকে অ;চেতন করা হতে পারে।

ঘ’টনার পর আমা’র মে’য়ের পিঠে আ;ঘাতের চি’হ্ন দেখেছি। প্রভাবশালী হওয়ায় তিন বন্ধু পার পাচ্ছে বলে অ’ভিযোগ তার। স্কুলশিক্ষার্থীর মা আরও বলেন, ঘ’টনা শুনে হা’সপাতা’লে যাওয়ার পরই দিহান আমা’র পা জ;ড়িয়ে ধ’রে।

সে বলতে থাকে- ‘আমাকে বাঁ;চান।’ তিনি বলেন, পু’লিশের পরাম’র্শে তারা মা’মলায় একজনকে আ’সামি করেছেন। এখন দিহানের আরও তিন বন্ধুকে আ’সামি করতে চান। তাদের জি;জ্ঞাসাবা’দ করলে অনেক ত’থ্য বেরিয়ে আসবে। তার মে’য়েকে ফাঁ;দে ফেলা হয়েছে। এখন উল্টো অনেকে তার চ’রিত্র হননের চে;ষ্টা করছে।

এদিকে দিহানের বাসার দারোয়ান দুলাল আ’দালতে সা’ক্ষ্য দিয়েছেন। দুলাল আমাদের বলেছেন, দিহান ওই ছা’ত্রীকে বাসায় নিয়ে যান। প্র’বেশের বি’ষয়ে তিনি রেজিস্ট্রার বইয়ে কোনো ত’থ্য লেখেননি।

দিহান নিয়ে যাচ্ছে বলে দারোয়ান তাকে কিছু বলেননি। এর এক ঘণ্টা পর দিহান ইন্টারকমে যোগাযোগ করে দারোয়ানকে উপরে উঠতে বলেন। উপরে উঠে দারোয়ান দেখেন, মে’য়েটিকে সোফায় শুইয়ে রাখা হয়েছে। ওই সময় সোফায় র’ক্ত লেগে ছিল।’

দুপুর ১টা অথবা সোয়া ১টার দিকে দিহান ওই মে’য়েটিকে পাঁজাকোলা করে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামিয়ে আনেন। গ্রাউন্ড ফ্লোরে পার্কিংয়ে থাকা গাড়ির পিছনের সিটে তুলে দেন দুলাল। তারপর তিনি ওই বাসায় প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে ঘ’টনা বোঝার চে’ষ্টা করেন। এরপর তিনি বাসা থেকে পা’লিয়ে যান।

সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাসাটিতে প্রায় দেড় ঘণ্টা ছিল মে’য়েটি। এ সময় র’হস্যজনক গতিবিধি ছিল তিন ব্যক্তির। পু’লিশ প্রধানের ধারণা, সর্বগ্রাসী মা’দকের পরিণতিতেই এমন ঘ’টনা ঘ’টতে পারে।

গত ৭ জানুয়ারি দুপুর ১২.১২ মিনিট। কলাবাগানে দিহানের বাসার সিড়িঘরের দিকে যাচ্ছেন ওই স্কুলছাত্রী। দুপুর একটার দিকে বাসার সামনে র’হস্যজনক গতিবিধির দেখা মেলে তিন ব্যক্তির।

তবে তাদের পরিচয় বোঝার উপায় নেই। প্রায় দেড় ঘন্টা পর দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটে বাসা থেকে বের হয় দিহানের গাড়ি। এ সময়ের মধ্যেই বাসায় যা ঘ’টার ঘ’টে গিয়েছিল।

আনুশকার স’ঙ্গে তার দৈ’হিক স’ম্পর্কের প’রিক’ল্পনা আগে থেকেই করে রেখেছিলো দিহান। কিন্তু আনুশকা জানতো তারা বাসায় গিয়ে কিছুক্ষণ গল্প করে পরবর্তীতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ফারদিনের ভোটার আইডি কার্ড সংশো;ধ’ন করতে যাবে। কিন্তু বাসায় যাওয়ার পরে কথা বলার এক পর্যায়ে দিহান আনুশকার স’ঙ্গে শা;রীরিক স;ম্পর্ক করে।

এদিকে আনুশকার রেক্টাম ও যৌ”না”ঙ্গে মিলেছে অস্বাভাবিক ‘ফরেন বডি’র আ’ঘাত। কি ছিল সেই ‘ফরেন বডি’? সেই র’হস্যকে কেন্দ্র করে চলছে গভীর অনুসন্ধান।

আনুশকার র’হস্য উদঘাটনে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট একাধিক প্রতিষ্ঠান। ইতোমধ্যেই মেডিকেল ফরেনসিক টিম ময়নাত’দন্তের কর্মকা’ণ্ড চালাচ্ছে। বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে কাজ করে যাচ্ছে সিআইডিসহ আইন প্রয়োগকারী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

এরইমধ্য থেকে ত’দন্ত সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র প্রত্যক্ষ আলামত ও চিহ্নের ভিত্তিতে ধারণা করছে যে- দেশীয় আকৃতির পু”রু”ষা”ঙ্গ নয়, বরং ফরেন বা বিদেশি বড় পু’রু’ষাঙ্গ আকৃতির কিছু একটা ভিক্টিমের রেক্টামে পুশ করানো হয়েছে।

যে কারণে যৌ’না’ঙ্গ ও রেক্টাম ফে’টে গিয়ে অ’তিরিক্ত র’ক্তক্ষরণ হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনুশকার সু’রুতহাল হয়। সেখানকার ফরেনসিক মেডি’সিন বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ সংবা’দমাধ্যমকে বলেন, স্বা’ভাবিক পে’নিস দ্বারা রে’ক্টাম ও যৌ’না’ঙ্গ ব্যবহার করলে এতটা ভ’য়াবহ প’রিণতি হওয়ার কথা নয়।

শ’রীরের নিম্না’ঙ্গে ‘কোন ফ’রেন ব’ডি সাইজ’ বা ‘সে;ক্স টয়’ কিছু একটা ব্যবহার করা হয়েছে। এক কথায় সেখানে বি’কৃত যৌ’নাচার করা হয়েছে। যার কারনে প’রিস্থিতি এতো ভ’য়াবহ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমি আমার পো’স্টমর্টেম জী’বনের অ’ভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি, পে’নিস (পুরু’ষা’ঙ্গ) দ্বারা এই ই’নজুরি মোটেও সম্ভব না। ওটা পে’নিসের বাইরে অন্য কিছু ছিল।

যো’নিপথ ও পা’য়ুপথ থেকে প্রচুর র’ক্তক্ষ’রণের কারণে ভু’ক্তভো’গীর মৃ’ত্যু হতে পারে বলে ধারণা এই চিকিৎ’সকের। তিনি বলেন, প্রচুর র’ক্তক্ষ’রণ হওয়ায় সে ‘হাইপো ভোলেমিক’ শকে মা’রা গেছে।

মানুষের মাত্রাতি’রিক্ত র’ক্তক্ষ’রণ বা দে’হ থেকে অ’তিরিক্ত তরল বের হয়ে গেলে হৃ’দপি’ণ্ড স্বা’ভাবিক কার্যক্ষ’মতা হা’রায়। এ কারণে হৃদযন্ত্র শ’রীরে র’ক্ত সরবরাহ করতে পারে না, মানুষ মা’রা যেতে পারে।

দিহানের ভাই বলেন, হঠাৎ দুপুর ১টা ২৫ মিনিটের দিকে দিহান আমাকে ফোন দিয়ে কাঁদো কাঁদো স্বরে কথা বলে। জীবনে ওকে আমি কখনও কা’ন্না করতে দেখিনি।

ফোন দিয়ে বলে, ‘ভাইয়া বাসায় বান্ধবীকে নিয়ে এসেছিলাম। অ’জ্ঞান হয়ে গেছে। হাসপাতা’লে নিয়ে যাচ্ছি। তুমি আসো, তুমি ছাড়া আমাকে কেউ বাঁ’চাতে পারবে না।’

দিহানের ভাই আরও বলেন, আমি ভ’য় পেয়ে যাই। তখনই আমা’র কর্মস্থল থেকে বের হয়ে এসেছি। দিহান বারবার ফোন দিচ্ছে ‘ভাইয়া তুমি দ্রু’ত আসো।’ পরে দুপুর ১টা ৫০-এর দিকে আবার ফোন করে।

তখন বলে, ‘ভাইয়া ও তো মা’রা গেছে’। তখন আমি বলি, ‘কে মা’রা গেল ঠিকঠাক মতো বলো’। দিহান বলে, ‘তুমি হাস’পাতা’লে চলে আসো দ্রু’ত।


পোস্ট টি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

স্পন্সরড নিউজ

সম্পাদক:
আসিফ সিরাজ

প্রকাশক:
এইচ এম শাহীন
চট্টগ্রাম অফিসঃ
এম বি কমপ্লেক্স (৩য় তলা), ৯০ হাই লেভেল রোড, ওয়াসা মোড়, চট্টগ্রাম।

যোগাযোগঃ
বার্তা কক্ষঃ ০১৮১৫৫২৩০২৫
মেইলঃ news.shodesh24@gmail.com
বিজ্ঞাপনঃ ০১৭২৪৯৮৮৩৯৯
মেইলঃ ads.shodesh24@gmail.com
কপিরাইট © ২০১৮ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বদেশ২৪.কম
সেল্ফটেক গ্রুপের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।