বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন

ঢাকায় ১০ টাকার সয়াবিন তেল কিনছেন অনেকে

প্রতিদিনই বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। একান্ত প্রয়োজনীয় পণ্যগুলোর আকাশ ছোঁয়া দামে মধ্য ও নিম্নবিত্তদের কষ্ট বাড়ছে।

শাক-সবজি বা মাছ-মাংসের মতো বেড়েই চলেছে ভোজ্য তেলের দাম। ভোজ্য তেল ছাড়া রান্না হয় না। কিন্তু লিটার বা বোতল ধরে তেল কেনা অনেকের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই অনুপায় হয়ে ১০ টাকার তেল কিনতে দেখা যাচ্ছে তাদের।

খোলাবাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, চাহিদা অনুযায়ী তেল না কিনতে পেরে বিপাকে পড়ছেন দোকানি এবং ক্রেতা উভয়পক্ষই। খোলা সয়াবিন তেল ১৩০ টাকা লিটারে বিক্রি হলেও ক্রেতাদের একটা বড় অংশ ১০ টাকা বা ২০ টাকার খুচরা তেল কিনছেন।

১০, ১৫ বা ২০ টাকায় এক আধ ছটাক তেল পাওয়া গেলেও তা বিক্রি করে পোষায় না বিক্রেতাদের। অন্যদিকে ক্রেতারাও এই সামান্য পরিমাণ তেল কিনে তাদের প্রয়োজন মেটাতে পারছেন না।

কেরাণীগঞ্জের হাউলির মুদি দোকানি লিটন মিয়া বলেন, সবাই এসে দশ পনেরো টাকার তেল চায়। আমার অবস্থা করুণ হয়া যাইতেছে। এক লিটার তেল এতবারে বিক্রি করতে কার ভাল্লাগে কন?

ঢাকার বাসাবাড়িতে ঘরের কাজ করেন এমন একজন রিনা বেগম। তিনি সময়নিউজকে জানান, ভাই গতকালকের আগের দিন ৩০ টাকার তেল কিনছি। গতকালকে তেল কেনার টাকা ছিল না বলে রাতে রান্নাই করি নাই। তেলের দাম এখন অনেক বেশি। এইভাবে চললে কেমনে হবে?

গৃহিনী আফিদা খাতুন বলেন, সামনেই রমজান মাস। এ নিয়ে আমার এখনই দুশ্চিন্তা হচ্ছে। তেলের দাম যদি সামনে না কমে এবং উল্টো আরও বেড়ে যায় তাহলে আমরা বেশ বিপাকেই পড়ব।

ফ্রিল্যান্সার আলোকচিত্রী যুবাইদ কাদির বলেন, আমাদের দুজনের সংসার। তবে সেটা চালাতেই প্রতিদিন হিমশিম খেতে হচ্ছে। আমার স্ত্রীও চাকরি করেন। কিন্তু বাসা ভাড়া, নিত্যকার খরচ তার ওপর নিত্যকার পণ্যের উচ্চমূল্য আমাদের সত্যিই ভাবিয়ে তুলছে।

ছাত্রবস্থায় চাকরি করেন আব্দুল আজিজ জুয়েল। বয়স ২৩ ছুঁইছুঁই। থাকেন মগবাজারের একটি মেসে। তিনিও জানালেন তার অসহায় অবস্থার কথা। তিনি বলেন, নতুন চাকরি, স্যালারি খুব কম,

এস এম জসীম উদ্দিন একজন বেসরকারি চাকরিজীবী। সময়নিউজকে তিনি জানান, সারাজীবন সৎ উপায়ে আয় করে তবে কি ভুল করলাম? জিনিসপত্রের যে হারে দাম বাড়ছে তাতে সম্মান নিয়ে বাঁচাটাই কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

আগে যেখানে মাসে ৬-৭ লিটার তেল লাগত তা ৪-৫ লিটারেই কাজ চালাতে হচ্ছে। গতকালকেই দেখলাম, ৫ লিটার তেল ৬২০ টাকা। এটা অনেক বেশি। ‘কম করে’ ‘চেপে’ চলা কোনো সমাধান হতে পারে না। একারণে কর্তৃপক্ষকেই সুষ্ঠু একটা ব্যবস্থা করতে হবে।


পোস্ট টি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

স্পন্সরড নিউজ

সম্পাদক:
আসিফ সিরাজ

প্রকাশক:
এইচ এম শাহীন
চট্টগ্রাম অফিসঃ
এম বি কমপ্লেক্স (৩য় তলা), ৯০ হাই লেভেল রোড, ওয়াসা মোড়, চট্টগ্রাম।

যোগাযোগঃ
বার্তা কক্ষঃ ০১৮১৫৫২৩০২৫
মেইলঃ news.shodesh24@gmail.com
বিজ্ঞাপনঃ ০১৭২৪৯৮৮৩৯৯
মেইলঃ ads.shodesh24@gmail.com
কপিরাইট © ২০১৮ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বদেশ২৪.কম
সেল্ফটেক গ্রুপের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।