বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯, ০৬:১৮ অপরাহ্ন

পম্পেও এই জুনেই ভারত সফরে আসছেন

আমেরিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাইক পম্পেও। —ফাইল চিত্র।

ডেস্ক : ভারত সফরে আসছেন আমেরিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাইক পম্পেও।জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের ঠিক আগেই।দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যখন বহু সমস্যা-সঙ্কুলিত, তখন আমেরিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সফরকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি। ভারত সফর নিয়ে পম্পেও জানিয়েছেন, ‘অসম্ভব গুরুত্বপূর্ণ’ এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই তাঁর অন্যতম লক্ষ্য। ভারত-মার্কিন ‘শুল্ক যুদ্ধ’র আবহে নয়াদিল্লি পম্পেও-আগমনের ফায়দা তুলতে চেষ্টার ত্রুটি রাখবে না বলে সূত্রের খবর।

জাপানের ওসাকায় আগামী ২৮-২৯ জুন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন হবে। তার ঠিক আগেই আগামী ২৪ জুন ভারতের উদ্দেশে রওনা হবেন পম্পেও। গতকাল তিনি জানিয়েছেন, নয়াদিল্লিতে আসার আগে তিনি ভারত-মার্কিন বাণিজ্য কাউন্সিলের সম্মেলনে বক্তৃতা করবেন। তিনি বলেন, ‘‘ভারত সফরের লক্ষ্য ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। দুই দেশই তাদের অসম্ভব গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে বদ্ধপরিকর।’’

সূত্রের খবর, পম্পেওর সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবেই দেখছে নয়াদিল্লি। কারণ, নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রিত্বের দ্বিতীয় ইনিংসে পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে প্রথম এবং প্রধান চ্যালেঞ্জ আমেরিকা। বিশ্বের বড় বড় রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক যে গতিতে গত কয়েক বছর ধরে এগোচ্ছিল, তা মোটের উপর অক্ষুণ্ণই রয়েছে। চীনের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক। সীমান্তে বড় ধরনের কোনও সমস্যা নেই। রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি হচ্ছে। পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ঝড়ঝাপ্টা অনেকটাই কেটে গেছে। বরং নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্কে উন্নতির জন্য ইসলামাবাদ বাড়তি উৎসাহ দেখাচ্ছে। ফলে চালকের আসনে নয়াদিল্লি।

কিন্তু সমস্যা আমেরিকাকে নিয়ে। গত কয়েক মাস ধরে প্রেডিসেন্ট ট্রাম্প একের পর এক যে সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাতে চাপ বেড়েছে ভারতের। ইরান থেকে তেল আমদানির ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। ইরান থেকে বিপুল পরিমাণ তেল আমদানি করত ভারত। তা ছাড়া, ইরানের মাধ্যমে পাকিস্তানকে এড়িয়ে মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করছে নয়াদিল্লি। রাশিয়া থেকে অস্ত্র কেনার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আমেরিকা। সম্প্রতি ভারতের উপর থেকে ‘জেনারেলাইজড ট্রেডিং প্রেফারেন্স’-এর সুবিধা প্রত্যাহার করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। যা মোদির সরকারের কাছে নিঃসন্দেহে দুঃসংবাদ। ট্রাম্পের ওই সিদ্ধান্তের ফলে কার্যত ‘শুল্ক-যুদ্ধ’ শুরু হয়ে গেছে।

নয়াদিল্লি সরকারের একাংশের মতে, জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠকে বসতে পারেন মোদি এবং ট্রাম্প। সেখানে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তার আগে পম্পেওর সফরে দর কষাকষি করে নিজের দাবিগুলি আদায়ে চেষ্টার ত্রুটি রাখবেন না পররাষ্ট্র মন্ত্রণালযের কর্ম কর্তকর্তারা।

স্বদেশ টুয়েন্টিফোর//আবা/জেডসি


পোস্ট টি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

স্পন্সরড নিউজ

সম্পাদক:
আসিফ সিরাজ

প্রকাশক:
এইচ এম শাহীন
চট্টগ্রাম অফিসঃ
এম বি কমপ্লেক্স (৩য় তলা), ৯০ হাই লেভেল রোড, ওয়াসা মোড়, চট্টগ্রাম।

যোগাযোগঃ
বার্তা কক্ষঃ ০১৮১৫৫২৩০২৫
মেইলঃ news.shodesh24@gmail.com
বিজ্ঞাপনঃ ০১৭২৪৯৮৮৩৯৯
মেইলঃ ads.shodesh24@gmail.com
কপিরাইট © ২০১৮ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বদেশ২৪.কম
সেল্ফটেক গ্রুপের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।