বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন

যে নারী যু’ক্তরা’ষ্ট্রে মুসলিম নি’ষি’দ্ধে’র বি’রু’দ্ধে বিল পা’সের নে’পথ্যে

‘নো ব্যান এ্যাক্ট’ নামে একটি বিল পাস হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে নি’ষি’দ্ধে’র বি’রু’দ্ধে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্ন কক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ২৩৩-১৮৩ ভোটে গত ২২ জুলাই বিলটি পাস হয়।

বিলের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশিদের অকৃ’ত্রিম বন্ধু হিসেবে পরিচিত কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং। ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের কয়েকদিনের মধ্যেই ‘মু’স’লমা’নদের নি’ষি’দ্ধ’ বিধি জারি করেছিলেন।

ইরান, লিবিয়া, সোমালি’য়া, সিরিয়া, ইয়েমেন, চাদ, নর্থ কোরিয়া এবং ভেনেজুয়েলার নাগরিকদের নি’ষি’দ্ধে’র নির্বাহী আদেশ জারি করেছিলেন তিনি। সেই নির্বাহী আদেশের বি’রু’দ্ধে তুমুল প্রতিবাদের পাশাপাশি আদালতে যায় মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

এক পর্যায়ে ইউএস সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের ঐ নির্বাহী আদেশকে অকার্যকর করেছে। এর পরেও ট্রাম্প পুনরায় হু’ম’কি দিয়েছেন আরেকটি আদেশ জারির। এমন পরিস্থিতিতে অ-আমেরিকান মনোভাবের প্রেক্ষিতে ডেমক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের এই বিল পাশ করলেন।

সকল ডেমক্র্যাটের ভোটে এটি পাশের পর এক বিবৃতিতে কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং বলেছেন, ‘মুসলমানদের নি’ষি’দ্ধ করে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ জারির পর থেকেই আমি আন্দোলনকারীদের পক্ষে রয়েছি। আমি কংগ্রেসে দাবি উঠিয়েছিলাম ঐ বিধি কার্যকর করার জন্যে বরাদ্দকৃত অর্থ বাতিলের জন্যে। এরই ধারাবাহিকতায় ‘নো ব্যান এ্যাক্ট’ পাশ হওয়ায় আমি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘মুসলমানেরা হচ্ছে কঠোর পরিশ্রমী মানুষ, বিশেষ করে কুইন্সে বসবাসরতরা সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে এই অঞ্চলকে এগিয়ে নিতে অপরিসীম ভূমিকা পালন করছেন।

এ অবস্থায় আমাদের সকলকে ট্রাম্পের মুসলিম বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কারণ, এমন ধর্মীয় বিদ্বেষ মনোভাব কোনভাবেই সুন্দর মনের প্রকাশ ঘটায় না। এমন নি’ষ্ঠুরতাকে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানও প্রশ্রয় দেয় না।

আমি সিনেটের প্রতি উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি অবিলম্বে ‘নো ব্যান এ্যাক্ট’ বিলটি সিনেটেও পাশের জন্যে।’ অপর দিকে নিউইয়র্কস্থ ‘মুসলিম বার এসোসিয়েশন অব নিউইয়র্ক’ সন্তোষ প্রকাশ করেছে প্রতিনিধি পরিষদে বিলটি পাশ হওয়ায়। একইসাথে তারা গ্রেস মেং-কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিলটি উত্থাপনের জন্যে। ‘সাউথ এশিয়ান বার এসোসিয়েশন’ও গ্রেস মেং-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের একটি পদক্ষেপও আমেরিকার নীতি-নৈতিকতার পরিপূরক হচ্ছে না।

সং’বি’ধানে সকল ধর্ম-জাতি-গোষ্ঠি-বর্ণের মানুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করা থাকলেও ট্রাম্প তা মানতে নারাজ। অভিবাসী সমাজকে নির্মূলের অভিপ্রায়ে ট্রাম্পের সকল স্বৈরাচারি আচরণকে রুখে দিতে গ্রেস মেং-এর মত জনপ্রতিনিধিগণের পক্ষে থাকার সংকল্প ব্যক্ত করেছে এই সংগঠন।


পোস্ট টি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

স্পন্সরড নিউজ

সম্পাদক:
আসিফ সিরাজ

প্রকাশক:
এইচ এম শাহীন
চট্টগ্রাম অফিসঃ
এম বি কমপ্লেক্স (৩য় তলা), ৯০ হাই লেভেল রোড, ওয়াসা মোড়, চট্টগ্রাম।

যোগাযোগঃ
বার্তা কক্ষঃ ০১৮১৫৫২৩০২৫
মেইলঃ news.shodesh24@gmail.com
বিজ্ঞাপনঃ ০১৭২৪৯৮৮৩৯৯
মেইলঃ ads.shodesh24@gmail.com
কপিরাইট © ২০১৮ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বদেশ২৪.কম
সেল্ফটেক গ্রুপের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।