শিরোনাম
ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছয় মাসের অ’ন্তঃসত্ত্বা, সন্তানের বাবা কলেজ ছাত্র আটক এবার মোবাইল নম্বরে কথা বলা যাবে ফেসবুক দিয়ে! ধর্ষণে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, দাদা কারাগারে ফোনে মিসড কল আসায় স্ত্রীকে গাছে বেঁধে গরম লোহার ছ্যাঁকা এত মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল যে গুনে শেষ করা যাবে না: নোবেল টাঙ্গাইলের যৌনপল্লী রূপ নিয়েছে ভুতুড়ে নগরীতে: যৌনকর্মীরা কষ্টে দিন পার করছে তারা জোর পূর্বক আমাকে বিয়ে দিয়েছে, আপত্তিকর অবস্থায় কেউ পায়নি: ভাইস-চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমিন কেন ভুঁড়িওয়ালা পুরুষকেই বেশি বিশ্বাস করেন নারীরা? টয়লেটে পড়ে যাওয়া মোবাইল তুলতে গিয়ে মা-ছেলের মৃত্যু ঝাড়ফুঁকের নামে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ করল কবিরাজ

শনিবার, ৩০ মে ২০২০, ০৯:১২ অপরাহ্ন

বয়ফ্রেন্ড মানে একটা প্রচন্ড পজেসিভ আর ঘ্যানঘ্যানে জীব!

টিকালো নাক বেঁকিয়ে বললেন অমৃতা চট্টোপাধ্যায়। আজ তাঁর নতুন ছবি ‘আহা রে’-র মুক্তি। সেই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কাস্টিং কাউচ থেকে বিকিনি শুট— অকপট অমৃতা।

প্রশ্ন: পাঠভবন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, তার পরে সোজা টালিগঞ্জ। কেন?

জবাব: আসলে ছোট থেকেই অভিনয়ের প্রতি একটা ভাললাগা ছিল। যাদবপুরে পড়তে পড়তেই মিডিয়া আর সেলিব্রিটি নিয়ে একটা প্রজেক্ট করেছিলাম। সেখান থেকেই বুম্বাকাকার কাছে যাই। এ দিকে পড়ার সূত্রে নানা জায়গা থেকে চাকরির অফার আসতে থাকে। তখন ‘কনকাঞ্জলি’ বলে একটা ধারাবাহিক হচ্ছিল, সেখানে সেকেন্ড লিড। ভাল চরিত্রের সুযোগ পাই। প্রথম দিকে রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজ, পরে অপরাজিতা আঢ্য। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন। অন্য একটা অভিজ্ঞতায় পৌঁছে গেলাম। তার পরে তো অনিকেত চট্টোপাধ্যায়ের ‘জানলা দিয়ে বউ পালালো’। প্রায় সাড়ে চার বছর তো হয়েই গেল।

প্রশ্ন: এই সাড়ে চার বছরে ইন্ডাস্ট্রিকে কী বুঝলেন?

জবাব: বুঝলাম। ভাল কাজ করে বাড়িতে চুপ করে বসে থাকলে চলবে না। অনেক সময় হত, কোনও প্রডাকশন হাউজে কারও সঙ্গে মিটিং আছে। মিট করতে যাব। বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম। বাবা ইনি কেমন? আমার বাবা যেহেতু দীর্ঘ দিন সাংবাদিকতায় আছেন, তাঁর বিশাল অভিজ্ঞতা। বাবা বলতেন, ‘‘বিশ্বাস কর, ও রকম ভাল মানুষ আমি জীবনে দেখিনি।’’ আসলে বাবা বোঝাতে চেয়েছিলেন, আমি আমার বুদ্ধি দিয়ে পুরো বিষয়টা বিচার করব। আগে থেকে কোনও ধারণা নিয়ে যাই বাবা তা চাননি। বাবার একটা কথা আমার কাজের ক্ষেত্রে আমি খুব ভাল ভাবে নিয়েছি। আমরা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে এসেছি। কাজ করে চলে যাব। কারও চরিত্র সংশোধন করতে আমরা কেউ আসিনি।

প্রশ্ন: কাস্টিং কাউচের সম্মুখীন হতে হয়েছে?

জবাব: টাচ উড, এখনও হয়নি।

প্রশ্ন:আপনার সমসাময়িক অনেক অভিনেত্রী বিকিনি শুট করে আপলোড করছে সোস্যাল মিডিয়ায়। এতে কি বেশি কাজ পাওয়া যায়?

জবাব: আদিল হুসেন বলেছিলেন, এখন অভিনয়ের চেয়ে ফেসবুকে লাইকের নিরিখে অভিনেতার কদর হয়। খুব হতাশাজনক। ব্রাজিলের দশ হাজার লোক আমার পেজ লাইক করেছে। তো? কী লাভ তাতে? হতে পারে ছবির জন্য বিকিনি পরতে হল। কিন্তু আমার বিকিনি পরা ছবি চারটে লোকের স্ক্রিন শট হবে এটা চাই না।

প্রশ্ন:ইন্ডাস্ট্রিতে শোনা যায় প্রযোজক, পরিচালকের সঙ্গে রসায়নের ভিত্তিতে কাজ পাওয়া যায়। কী অভিজ্ঞতা?

জবাব: নাহ্, এ রকম কিছু নেই আমার। তবে বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের মতো পরিচালক যখন আমাকে অন্য কারওর সঙ্গে পরিচয় করাতে গিয়ে বলেন, ‘ও ভাল অভিনেত্রী। ‘আনোয়ার’-এ খুব ভাল কাজ করেছে। আমি ছবি করলে আবার নেব।’ আমার এটাই প্রাপ্তি। আর বড় প্রোডাকশন হাউজে চারটে কাজ হল। দুটো ওয়েব ফিল্ম। দুটো ওয়েব সিরিজ। দেবালয়দার ছবি এলো ‘বউ কেন সাইকো’। আমার সাড়ে চার বছর লাগল। ঠিক আছে। ওর হল, আমার হল না— এর মধ্যে যদি ঢুকি তো পাগল হয়ে যাব। অমুক পরিচালক কেন আমায় নিচ্ছেন না এটা নিয়ে মাথা ঘামাই না।

প্রশ্ন:ধারাবাহিকে কাজ করবে?

জবাব: আমি সিনেমা আর ধারাবাহিক সামলাতে পারব না।

প্রশ্ন:‘আহা রে’র দৃশ্যে শুভর সঙ্গে অমৃতা।
পুরুষদের কী করে সামলাও?

জবাব: এ আবার কী প্রশ্ন! শুনিই না… দেখুন, ইগনোর করাটাই বেস্ট।

প্রশ্ন:‘আহা রে’-র ডাক কী ভাবে এল?

জবাব: ঞ্জনদা আর নির্মলদা ডেকেছিলেন। রঞ্জনদা স্ক্রিপ্টটা ধরিয়ে দিলেন। খুব কেরিয়ার ওরিয়েন্টেড চরিত্র। বাংলাদেশের ফ্যাশন ডিজাইনার। সে ছবিতে বাংলাদেশের বিখ্যাত শেফ আরিফিন শুভ-র ফিঁয়াসে। কিন্তু বয়ফ্রেন্ডের গ্লোরিতে ভেসে যায় না। তার কেরিয়ারটাই আসল।

প্রশ্ন:আপনিও কি বাস্তবে তাই?

জবাব: আসলে দেখুন, কেরিয়ারকে গুরুত্ব না দিলে কেরিয়ার আমায় গুরুত্ব দেবে না। আর এ ছবির মুখ্য চরিত্রের কাছেই তো শিখছি, কেমন করে কেরিয়ার আর জীবন সামলাতে হয়। এ তো প্রমোশন চলছিল ‘আহা রে’-র, ঋতুদিকে ‘উফ’ বলতে শুনলাম না একবারও। ঋতুদির জীবনে ‘উফ’ শব্দটাই নেই। এ ছবিতে স্ক্রিন প্রেজেন্স কম। কিন্তু ঋতুদির প্রোডাকশনে কাজ করা। এত কাছ থেকে দেখা। আমার তো মনে হচ্ছে মাস্টার ক্লাস হচ্ছে। শট দিয়ে দেখেছি লন্ডন চলে গেল। পুরো ম্যাজিকের মতো।

প্রশ্ন:আরফিনের সঙ্গে কাজ করে কী মনে হল?

জবাব:বাংলাদেশের মেনস্ট্রিমের আরিফিন শুভ। সেটে খুব মজা করে। উল্টো দিকের মানুষকে বোঝান না, তিনি সুপারস্টার।

প্রশ্ন:আজ প্রিমিয়ারে বয়ফ্রেন্ড আসছে?

জবাব: প্লিজ। আমার বয়ফ্রেন্ড নেই। বয়ফ্রেন্ড মানেই অশান্তি। এটা কেন করলে না? ওটা কী করছো? ধুর! বয়ফ্রেন্ড প্রচন্ড পজেসিভ আর ঘ্যানঘ্যানে জীব!

প্রশ্ন:আর প্রেম?

জবাব: বেশি ভেতরে ঢুকতে চাই না। বহমান নদীর মতো আসবে যাবে। আমি পাশ থেকে দেখব।


পোস্ট টি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

স্পন্সরড নিউজ

সম্পাদক:
আসিফ সিরাজ

প্রকাশক:
এইচ এম শাহীন
চট্টগ্রাম অফিসঃ
এম বি কমপ্লেক্স (৩য় তলা), ৯০ হাই লেভেল রোড, ওয়াসা মোড়, চট্টগ্রাম।

যোগাযোগঃ
বার্তা কক্ষঃ ০১৮১৫৫২৩০২৫
মেইলঃ news.shodesh24@gmail.com
বিজ্ঞাপনঃ ০১৭২৪৯৮৮৩৯৯
মেইলঃ ads.shodesh24@gmail.com
কপিরাইট © ২০১৮ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বদেশ২৪.কম
সেল্ফটেক গ্রুপের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।