মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন

স্বাধীনতার প্রশ্নে অনমনীয় ও অবিচল ছিলেন বঙ্গবন্ধু

স্বদেশ ডেস্ক : বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ একটি অবিচ্ছেদ্য নাম। বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের প্রতিটি আন্দোলনে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রয়েছে নেতৃত্ব। কিন্তু সেই ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের কাছে অজানা।

আগামী বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে নানা কর্মসূচি। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারাদেশে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলোতে মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশকে জানার কর্র্মসূচি গ্রহণ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। তারই আলোকে চট্টগ্রামের সেন্ট স্কলাসটিকা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের একদল শিক্ষার্থী বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে জানার জন্য একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা, লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক নাসিরুদ্দিন চৌধুরীর একটি সাক্ষাৎকার নিয়েছেন।

সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী শর্মিলা দাশ, অপরাজিতা দাশ, তাসনুভা খানম, তাথৈ চৌধুরী, দুররিয়া হোসেইন, তৃষা পাল, অনন্যা দাশ, শিবাঙ্গী গুপ্তা, প্রান্তিকা চৌধুরী ও অপর্ণা বিশ্বাস। সেন্ট স্কলাসটিকা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে প্রদত্ত সাংবাদিক নাসিরুদ্দিন চৌধুরীর সাক্ষাৎকারটির দ্বিতীয় পর্ব প্রকাশিত হলো।

১৯৩৮ সাল থেকে বলতে গেলে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক পথচলা শুরু। হোসেন সোহরাওয়ার্দী ছিলেন বঙ্গবন্ধুর নেতা। সোহরাওয়ার্দী সাহেব বঙ্গবন্ধুকে কর্মী হিসেবে রাজনীতিতে দীক্ষা দিয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধু ১৯৩৯ সালে মুসলিম লীগের সদস্য হন এবং পাকিস্তান আন্দোলনের সাথে জড়িত হন। তখন অধিকাংশ বাঙালি মুসলমান পাকিস্তান আন্দোলনের সমর্থক ছিলেন।

১৯৪৬ সালে পাকিস্তানের লক্ষ্যে সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু একজন ছাত্রনেতা হিসবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। সেটি ছিলো বৃটিশদের কাছ থেকে পাকিস্তানের স্বাধীনতা আন্দোলন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান স্বাধীন হলো।পাকিস্তান যখন হলো বঙ্গবন্ধু তখন কলকাতায়।

কলকাতা ইসলামিয়া কলেজের বেকার হোস্টেলে বঙ্গবন্ধু থাকতেন। তিনি ঢাকা চলে আসার প্রস্তুতি নিলেন। ঢাকায় চলে আসার আগে ইসলামিয়া কলেজের সিরাজদ্দৌলা হলে বঙ্গবন্ধু তাঁর কিছু বিশ্বস্ত সহকর্মীদের নিয়ে একটি গোপন বৈঠক করেন। বৈঠকে বঙ্গবন্ধু তাদের বললেন, পাকিস্তান স্বাধীন হলেও প্রকৃত স্বাধীনতা আসবে না। প্রকৃত স্বাধীনতার জন্য ঢাকায় গিয়ে নতুন করে আন্দোলন শুরু করতে হবে।

বঙ্গবন্ধু ঢাকায় এসে ১৫০ নম্বর মোগলটুলীতে সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের অনুসারীদের নিয়ে প্রতিষ্ঠিত কর্মীশিবিরে যোগদান করেন। সেদিন থেকে পূর্ববঙ্গের স্বাধীনতা বঙ্গবন্ধুর হৃদয়ে ঠাঁই করে নেয়। বঙ্গবন্ধুই একমাত্র নেতা, যিনি গোটা পাকিস্তানি জমানায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার লক্ষ্যে অনমনীয় ও অবিচল ছিলেন। তাঁর সমস্ত আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা।

১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন। নাম দেওয়া হলো ‘পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ’।ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানকে ধ্বংস করার বীজ রোপণ করেন। ছাত্রলীগই পরবর্তীকালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সমস্ত আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়। ছাত্রলীগ ছিলো একটি ‘মেয়াদি বোমা’, যা’ ১৯৪৮ সালে বঙ্গবন্ধু তৈরি করেছিলেন এবং ১৯৭১ সালে তার বিস্ফোরণ ঘটেছিলো; ফলে পাকিস্তান ধ্বংস হয়ে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। চলবে–

স্বদেশ টুয়েন্টিফোর//এমএমআর


পোস্ট টি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

স্পন্সরড নিউজ

সম্পাদক:
আসিফ সিরাজ

প্রকাশক:
এইচ এম শাহীন
চট্টগ্রাম অফিসঃ
এম বি কমপ্লেক্স (৩য় তলা), ৯০ হাই লেভেল রোড, ওয়াসা মোড়, চট্টগ্রাম।

যোগাযোগঃ
বার্তা কক্ষঃ ০১৮১৫৫২৩০২৫
মেইলঃ news.shodesh24@gmail.com
বিজ্ঞাপনঃ ০১৭২৪৯৮৮৩৯৯
মেইলঃ ads.shodesh24@gmail.com
কপিরাইট © ২০১৮ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্বদেশ২৪.কম
সেল্ফটেক গ্রুপের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।